১১২ (udashini beshe bideshini ke se)

উদাসিনী -বেশে বিদেশিনী কে সে নাইবা তাহারে জানি,

রঙে রঙে লিখা আঁকি মরীচিকা মনে মনে ছবিখানি॥

পুবের হাওয়ায় তরীখানি তার    এই ভাঙা ঘাট কবে হল পার

দূর নীলিমার বক্ষে তাহার উদ্ধত বেগ হানি॥

মুগ্ধ আলসে গণি একা বসে পলাতকা যত ঢেউ।

যারা চলে যায় ফেরে না তো হায় পিছু-পানে আর কেউ।

মনে জানি কারো নাগাল পাব না-- তবু যদি মোর উদাসী ভাবনা

কোনো বাসা পায় সেই দুরাশায় গাঁথি সাহানায় বাণী॥

রাগ: মিশ্র কেদারা

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৮ ভাদ্র, ১৩৪৫

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৫ অগাস্ট, ১৯৩৮

রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন

স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

হে মহাজীবন
Songs
হে মহাজীবন, হে মহামরণ,    লইনু শরণ, লইনু শরণ ॥
                   আঁধার প্রদীপে জ্বালাও শিখা,
পরাও পরাও জ্যোতির টিকা-- করো হে আমার লজ্জাহরণ ॥
পরশরতন তোমারি চরণ-- লইনু শরণ, লইনু শরণ।
          যা-কিছু মলিন, যা-কিছু কালো,
যা-কিছু বিরূপ হোক তা ভালো-- ঘুচাও ঘুচাও সব আবরণ ॥
আরো দেখুন
সকলেরে কাছে ডাকি
Songs
          সকলের কাছে ডাকি            আনন্দ-আলয়ে থাকি
                    অমৃত করিছ বিতরণ।
          পাইয়া অনন্ত প্রাণ            জগত গাহিছে গান
                   গগনে করিয়া বিচরণ।
          সূর্য শূন্যপথে ধায়—             বিশ্রাম সে নাহি চায়,
                   সঙ্গে ধায় গ্রহপরিজন।
          লভিয়া অসীম বল            ছুটেছে নক্ষত্রদল,
                   চারি দিকে চলেছে কিরণ।
          পাইয়া অমৃতধারা            নব নব গ্রহ তারা
                   বিকশিয়া উঠে অনুক্ষণ— 
          জাগে নব নব প্রাণ,            চিরজীবনের গান
                   পূরিতেছে অনন্ত গগন।
          পূর্ণ লোক লোকান্তর,            প্রাণে মগ্ন চরাচর
                    প্রাণের সাগরে সন্তরণ।
          জগতে যে দিকে চাই            বিনাশ বিরাম নাই,
                     অহরহ চলে যাত্রীগণ।
          মোরা সবে কীটবৎ,            সমুখে অনন্ত পথ
                    কী করিয়া করিব ভ্রমণ।
          অমৃতের কণা তব            পাথেয় দিয়েছ,প্রভো,
                    ক্ষুদ্র প্রাণে অনন্ত জীবন।।
আরো দেখুন
আকাশ হতে আকাশ-পথে
Songs
আকাশ হতে আকাশ-পথে হাজার স্রোতে
ঝরছে জগৎ ঝরনাধারার মতো ॥
আমার   শরীর মনের অধীর ধারা সাথে সাথে বইছে অবিরত।
দুই প্রবাহের ঘাতে ঘাতে   উঠতেছে গান দিনে রাতে,
সেই   গানে গানে আমার প্রাণে ঢেউ লেগেছে কত।
আমার   হৃদয়তটে চূর্ণ সে গান ছড়ায় শত শত।
ওই      আকাশ-ডোবা ধারার দোলায় দুলি অবিরত॥
এই      নৃত্য-পাগল ব্যাকুলতা বিশ্বপরানে
নিত্য আমায় জাগিয়ে রাখে, শান্তি না মানে।
চিরদিনের কান্নাহাসি   উঠছে ভেসে রাশি রাশি--
এ-সব   দেখতেছে কোন্‌ নিদ্রাহারা নয়ন অবনত।
ওগো,   সেই নয়নে নয়ন আমার হোক-না নিমেষহত--
ওই      আকাশ-ভরা দেখার সাথে দেখব অবিরত॥
আরো দেখুন