২৮৪ (ekla base eke eke)

একলা ব'সে একে একে অন্যমনে   পদ্মের দল ভাসাও জলে অকারণে।

হায় রে, বুঝি কখন তুমি গেছ ভুলে   ও যে আমি এনেছিলেম আপনি তুলে,

              রেখেছিলেম প্রভাতে ওই চরণমূলে   অকারণে--

              কখন তুলে নিলে হাতে যাবার ক্ষণে   অন্যমনে॥

              দিনের পরে দিনগুলি মোর এমনি ভাবে

              তোমার হাতে ছিঁড়ে হারিয়ে যাবে।

              সবগুলি এই শেষ হবে যেই তোমার খেলায়

              এমনি তোমার আলস-ভরা অবহেলায়

     হয়তো তখন বাজবে ব্যথা সন্ধেবেলায়   অকারণে--

     চোখের জলের লাগবে আভাস নয়নকোণে   অন্যমনে॥

রাগ: কীর্তন

তাল: দাদরা-খেমটা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২০ আষাঢ়, ১৩২৯

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৪ জুলাই, ১৯২২

রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন

স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বহে নিরন্তর
Songs
বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা ॥
বাজে অসীম নভোমাঝে অনাদি রব,
জাগে অগণ্য রবিচন্দ্রতারা ॥
একক অখণ্ড ব্রহ্মাণ্ডরাজ্যে
পরম-এক সেই রাজরাজেন্দ্র রাজে।
বিস্মিত নিমেষহত   বিশ্ব চরণে বিনত,
লক্ষশত ভক্তচিত বাক্যহারা ॥
আরো দেখুন
আমার বেলা যে যায়
Songs
        আমার   বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে
        তোমার  সুরে সুরে সুর মেলাতে ॥
একতারাটির একটি তারে      গানের বেদন বইতে নারে,
তোমার সাথে বারে বারে        হার মেনেছি এই খেলাতে
        তোমার  সুরে সুরে সুর মেলাতে ॥
             আমার এ তার বাঁধা কাছের সুরে,
             ওই বাঁশি যে বাজে দূরে।
গানের লীলার সেই কিনারে     যোগ দিতে কি সবাই পারে
        বিশ্বহৃদয়পারাবারে        রাগরাগিণীর জাল ফেলাতে--
        তোমার  সুরে সুরে সুর মেলাতে?।
আরো দেখুন
ফাগুনের শুরু হতেই
Songs
          ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা ঝরল যত
তারা আজ   কেঁদে শুধায়,   'সেই ডালে ফুল ফুটল কি গো,
              ওগো কও   ফুটল কত।'
     তারা কয়,   'হঠাৎ হাওয়ায় এল ভাসি
                        মধুরের সুদূর হাসি   হায়।
     খ্যাপা হাওয়ায় আকুল হয়ে ঝরে গেলেম শত শত।'
তারা কয়,   'আজ কি তবে এসেছে সে   নবীন বেশে।
     আজ কি তবে এত ক্ষণে   জাগল বনে   যে গান ছিল মনে মনে।
              সেই বারতা কানে নিয়ে
                        যা ই   যাই চলে এই বারের মতো।'
আরো দেখুন