৩৭ (pramode dhaliya dinu mon)

         প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন,   তবু  প্রাণ কেন কাঁদে রে।

          চারি দিকে হাসিরাশি,   তবু    প্রাণ কেন কাঁদে রে।।

           আন্‌ সখী, বীণা আন্‌,   প্রাণ খুলে কর্  গান,

            নাচ্‌    সবে মিলে ঘিরি ঘিরি ঘিরিয়ে—

                 তবু   প্রাণ কেন কাঁদে রে।।

            বীণা তবে রেখে দে,   গান আর গাস নে—

                 কেমনে যাবে বেদনা।

          কাননে কাটাই রাতি,    তুলি ফুল মালা গাঁথি,

                 জোছনা কেমন ফুটেছে—

                    তবু   প্রাণ কেন কাঁদে রে ।।

রাগ: বেহাগ-খাম্বাজ

তাল: ত্রিতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ফাল্গুন, ১২৯০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1883

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

সখিরে-- পীরিত বুঝবে কে
Songs
সখিরে-- পীরিত বুঝবে কে?
অঁধার হৃদয়ক দুঃখ কাহিনী
          বোলব, শুনবে কে?
রাধিকার অতি অন্তর বেদন
          কে বুঝবে অয়ি সজনী
কে বুঝবে সখি রোয়ত রাধা
          কোন দুখে দিন রজনী?
কলঙ্ক রটায়ব জনি সখি রটাও
         কলঙ্ক নাহিক মানি,
সকল তয়াগব লভিতে শ্যামক
          একঠো আদর বাণী।
মিনতি করিলো সখি শত শত বার, তু
          শ্যামক না দিহ গারি,
শীল মান কুল, অপনি সজনি হম
          চরণে দেয়নু ডারি।
সখিলো--
বৃন্দাবনকো দুরুজন মানুখ
          পিরীত নাহিক জানে,
বৃথাই নিন্দা কাহ রটায়ত
          হমার শ্যামক নামে?
কলঙ্কিনী হম রাধা, সখিলো
          ঘৃণা করহ জনি মনমে
ন আসিও তব্‌ কবহু সজনিলো
          হমার অঁধা ভবনমে।
কহে ভানু অব-- বুঝবে না সখি
          কোহি মরমকো বাত,
বিরলে শ্যামক কহিও বেদন
          বৃক্ষে রাখয়ি মাথ।
আরো দেখুন
না, যেয়ো না
Songs
        না,      যেয়ো না, যেয়ো নাকো।
    মিলনপিয়াসী মোরা--  কথা রাখো, কথা রাখো॥
আজো বকুল আপনহারা    হায় রে,    ফুল ফোটানো হয় নি সারা,
                    সাজি ভরে নি--
                পথিক ওগো, থাকো থাকো॥
            চাঁদের চোখে জাগে নেশা,
        তার    আলো গানে গন্ধে মেশা।
দেখো চেয়ে কোন্‌ বেদনায়    হায় রে    মল্লিকা ওই যায় চলে যায়
                অভিমানিনী--
        পথিক, তারে ডাকো ডাকো॥
আরো দেখুন
তোমায় কিছু দেব
Songs
তোমায় কিছু দেব ব'লে চায় যে আমার মন,
      নাই-বা তোমার থাকল প্রয়োজন ॥
যখন তোমার পেলেম দেখা,    অন্ধকারে একা একা
      ফিরতেছিলে বিজন গভীর বন।
ইচ্ছা ছিল একটি বাতি জ্বালাই তোমার পথে,
      নাই-বা তোমার থাকল প্রয়োজন ॥
দেখেছিলেম হাটের লোকে তোমারে দেয় গালি,
      গায়ে তোমার ছড়ায় ধুলাবালি।
অপমানের পথের মাঝে   তোমার বীণা নিত্য বাজে
      আপন-সুরে-আপনি-নিমগন।
ইচ্ছা ছিল বরণমালা পরাই তোমার গলে,
      নাই-বা তোমার থাকল প্রয়োজন ॥
দলে দলে আসে লোকে, রচে তোমার স্তব--
      নানা ভাষায় নানান কলরব।
ভিক্ষা লাগি তোমার দ্বারে   আঘাত করে বারে বারে
      কত-যে শাপ, কত-যে ক্রন্দন।
ইচ্ছা ছিল বিনা পণে আপনাকে দিই পায়ে,
      নাই-বা তোমার থাকল প্রয়োজন ॥
আরো দেখুন